
স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু এমপি বলেছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কর্মীদের মনে রাখতে হবে জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থা, বিশ্বাস এবং প্র্রাণের সংগঠন এই স্বেচ্ছাসেবক লীগ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিনে এই সংগঠনের জন্ম। স্বেচ্ছাসেবক লীগ শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হিসাবে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে। দেশের সকল দুর্যোগ মোকাবেলায় সামনে থেকে জীবন বাজি রেখে কাজ করেন। গতকাল শনিবার (২৯ জুলাই) বিকালে বগুড়া জিলা স্কুল মাঠে বগুড়া জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ৭১এর পরাজিত শক্তি, জামায়াত বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসীরা দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে আবারে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা সারাদেশে আবারো সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। তাই স্বেচ্ছাসেবক লীগের সকল নেতা কর্মীকে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ভিপি সাজেদুর রহমান সাহীনের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ম.আব্দুর রাজ্জাক। সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুলফিকার রহমান শান্ত সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি শাহ জালাল মুকুল, জাতীয় পরিষদ সদস্য মেহেদী হাসান রবিন, বগুড়া জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু । সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি আবু জাফর সিদ্দিকী রিপন, লুৎফুল বারী বাবু, একেএম এনামুল বারী টুটুল, সহঃ অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মনির, গোলাম হোসেন, মামুনুর রশিদ মামুন, কয়েল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, আবু বক্কর সিদ্দিক স্বাধীন, নাইমুর রাজ্জাক তিতাস, নাজমুল কাদির শিপন, আব্দুর রউফ, নুরুল আমিন শিশির, বনি ছদর খুররম, রেজাউল করিম রিয়াদ, নুরুন্নবী সরকার, আরিফুল হক বাপ্পী, নাসিমুল বারী নাসিম, লিটন শেখ, সুলতান মন্ডল সজল, আবদ্লুাহ আল নোমান, রাকিবুল ইসলাম রাজু, মামুনুর রশিদ মামুনসহ জেলা শাখা, পৌর শাখা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার জিলা স্কুল মাঠে ফিরে এসে শেষ হয়। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
