03/08/2023

সুুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবা এবং নিচু জলাশয়সমূহ খরা, প্রচন্ড তাপদহ এবং অনাবৃষ্টির কারণে শুকিয়ে গেছে। সে কারণে তোষা পাট পচানো নিয়ে বিপাকে পরেছেন পাট চাষিরা। বৃষ্টির আশায় পাট কেটে জমিতে স্তুপ করে রাখছেন দিনের পর দিন। কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ার কারণে জমিতে স্তুপ করে রাখা পাট শুকিয়ে যাচ্ছে পচানোর ব্যবস্থা করতে পারছেন না চাষিরা। অনেকে নিচু জলাশয়ে সেচ মটর দিয়ে পানি ভর্তি করে পাট পচানোর ব্যবস্থা করলেও দু’তিন দিনের মধ্যেই সেই পানিও শুকিয়ে যাচ্ছে। সবমিলে পাট চাষিরা চরম বিপাকে পড়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৪ হাজার ৫৬৫ হেক্টর জমিতে তোষাপাট চাষাবাদ হয়েছে। ইতোমধ্যে পাট কাটা শুরু হয়েছে। পাট পচানোর জন্য ১০ হতে ১২দিন সময় লাগে। প্রতি বিঘা জমিতে ৮ হতে ৯ মন পাট উৎপাদন হয়। বর্তমান বাজারে প্রতিমন পাট বিক্রি হচ্ছে গ্রেড অনুযায়ী আড়াই হাজার হতে তিন হাজার টাকা। তোষাপাটের চাষাবাদ চরাঞ্চলে বেশি। উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির জানান, বৃষ্টি না হওয়ার ক্ষনিকের জন্য একটু সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেকে সেচ মটারের মাধ্যমে নিচু জলাশয়ে পানি দিয়ে এবং ব্যক্তিগত পুকুরে পাট পচানোর ব্যবস্থা করছেন। চলতি মৌসুমে পাটের ভাল ফলন হয়েছে। পাট চাষিরা এখন অনেক লাভবান। কারণ পাটের আঁশের পাশাপাশি পাটকাঠির দামও অনেক ভাল।

Published by এবিসি বাংলা 21

http://abcbanglatv.xyz

Leave a Reply

Create your own website, free on WordPress.com.Create your own website.
Start free